
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোপ যুক্তরাষ্ট্র ও সিয়োনবাদী শক্তির যৌথ সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করার পর ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পোপ অপরাধের ক্ষেত্রে দুর্বল এবং বৈদেশিক নীতিতে ব্যর্থ।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, পোপ তার সরকারের ভয়ে কথা বলছেন, তবে কোভিড-১৯ মহামারির সময় ক্যাথলিক চার্চ ও অন্যান্য খ্রিস্টান সংগঠন যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেন না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, তিনি পোপের ভাইকে বেশি পছন্দ করেন এবং এমন পোপ চান না, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের সমালোচনা করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, পোপকে কেবলমাত্র আমেরিকান হওয়ার কারণে নির্বাচিত করা হয়েছে এবং এটি তার সরকারের মোকাবিলার কৌশল হিসেবে করা হয়েছে।
এছাড়া ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ক্ষমতায় না থাকলে পোপও ভ্যাটিকানে থাকতেন না এবং পোপের দুর্বলতা তার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
অন্যদিকে, পোপ Pope Leo XIV এর আগে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নিয়ে বলেন, “অহংকার ও অর্থলোভ যথেষ্ট হয়েছে, শক্তির প্রদর্শন বন্ধ হোক, যুদ্ধ বন্ধ হোক।”
তিনি “পরম ক্ষমতার ভ্রান্ত ধারণা”-কে যুদ্ধের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে রাজনৈতিক নেতাদের শান্তির পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান। যদিও তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র বা ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করেননি, তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।